প্রায় জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী
আপনার জানা প্রয়োজন এমন সাধারণ প্রশ্ন ও তাদের সহজবোধ্য উত্তরসমূহ
আপনার জানা প্রয়োজন এমন সাধারণ প্রশ্ন ও তাদের সহজবোধ্য উত্তরসমূহ
১। কোন কোন পদ্ধতিতে সমাধান একাউন্ট হিসাব খোলা যায়?
উত্তরঃ নতুন সমাধান একাউন্ট খোলা একদম সহজ! বর্তমানে সকল এয়ারটেল, বাংলালিংক, টেলিটক, গ্রামীণফোন এবং রবি গ্রাহকগণ সমাধান একাউন্ট খুলতে পারবেন নিজের ফোনের সমাধান অ্যাপ থেকেই! সমাধান অ্যাপ ডাউনলোড করে অ্যাপ থেকেই ঘরে বসে একাউন্ট খুলতে পারবেন নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করে।
সমাধান অ্যাপের মাধ্যমে একাউন্ট খুলুন:
সমাধান অ্যাপের মাধ্যমে একাউন্ট খুলতে যা লাগবে-
১। স্মার্টফোন
২। জাতীয় পরিচয়পত্রের মূল কপি
পদ্ধতি:
১। সমাধান অ্যাপে গিয়ে লগইন/রেজিস্টার-এ ট্যাপ করুন।
২। অপারেটর বেছে নিয়ে আপনার মোবাইল নাম্বারটি দিন।
৩। মোবাইল নাম্বারে পাঠানো ভেরিফিকেশন কোড দিয়ে পরের ধাপে যান।
৪। শর্তাবলি পড়ে সম্মতি দিয়ে সামনে এগিয়ে যান।
৫। আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের সামনের ও পেছনের অংশের ছবি তুলুন।
৬। প্রয়োজনীয় তথ্য চেক করে এগিয়ে যান।
৭। ফোনের ফ্রন্ট ক্যামেরা দিয়ে নিজের চেহারার ছবি তুলুন।
৮। এবার তথ্য সাবমিট করে এগিয়ে যান।
৯। রেজিস্ট্রেশন সফল হলে আপনার এস এম এস এ ৪ সংখ্যার একটি ওটিপি যাবে। এই ওটিপি দিয়ে লগ ইন করে একটি ৪ সংখ্যার পিন সেট করে নিবেন। (ওটিপি ও পিন কারও সাথে শেয়ার করবেন না)
১০। ভেরিফিকেশনের কনফার্মেশন এসএমএস-এর জন্য অপেক্ষা করুন। এই তথ্য যাচাই করতে সমাধান-এর ২-৩ কর্মদিবস সময় লাগতে পারে।
১১। এবার সমাধান অ্যাপে লগইন করুন।
* আপনার পিন নাম্বারটি সবসময় গোপন রাখুন
এজেন্ট পয়েন্টে ই-কেওয়াইসির মাধ্যমে একাউন্ট খুলুন:
নিকটবর্তী ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন পয়েন্টে সমাধান একাউন্ট খুলতে নিয়ে আসুন-
১। মোবাইল ফোন
২। জাতীয় পরিচয়পত্রের মূল কপি
পদ্ধতি:
১। এজেন্ট আপনার মোবাইল নাম্বার ও অপারেটর নিশ্চিত করে একাউন্ট খোলার জন্য অনুমতি নেবেন।
২। আপনার নাম্বারে পাঠানো রেফারেন্স নাম্বারটি নেবেন।
৩। আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের সামনের ও পেছনের অংশের ছবি তুলবেন।
৪। এজেন্ট ই-কেওয়াইসি এন্ট্রির জন্য আপনার একটি ছবি তুলবেন ও যাবতীয় তথ্য দিবেন।
৫। রেজিস্ট্রেশন সফল হলে আপনার এস এম এস এ ৪ সংখ্যার একটি ওটিপি যাবে। এই ওটিপি দিয়ে লগ ইন করে একটি ৪ সংখ্যার পিন সেট করে নিবেন। (ওটিপি ও পিন কারও সাথে শেয়ার করবেন না)
৬। ভেরিফিকেশনের কনফার্মেশন এসএমএস-এর জন্য অপেক্ষা করুন। এই তথ্য যাচাই করতে সমাধান-এর ২-৩ কর্মদিবস সময় লাগতে পারে।
৭। এবার সমাধান অ্যাপে লগইন করুন।
১। কোন কোন পদ্ধতিতে সমাধান একাউন্ট হিসাব খোলা যায়?
উত্তরঃ নতুন সমাধান একাউন্ট খোলা একদম সহজ! বর্তমানে সকল এয়ারটেল, বাংলালিংক, টেলিটক, গ্রামীণফোন এবং রবি গ্রাহকগণ সমাধান একাউন্ট খুলতে পারবেন নিজের ফোনের সমাধান অ্যাপ থেকেই! সমাধান অ্যাপ ডাউনলোড করে অ্যাপ থেকেই ঘরে বসে একাউন্ট খুলতে পারবেন নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করে।
সমাধান অ্যাপের মাধ্যমে একাউন্ট খুলুন:
সমাধান অ্যাপের মাধ্যমে একাউন্ট খুলতে যা লাগবে-
১। স্মার্টফোন
২। জাতীয় পরিচয়পত্রের মূল কপি
পদ্ধতি:
১। সমাধান অ্যাপে গিয়ে লগইন/রেজিস্টার-এ ট্যাপ করুন।
২। অপারেটর বেছে নিয়ে আপনার মোবাইল নাম্বারটি দিন।
৩। মোবাইল নাম্বারে পাঠানো ভেরিফিকেশন কোড দিয়ে পরের ধাপে যান।
৪। শর্তাবলি পড়ে সম্মতি দিয়ে সামনে এগিয়ে যান।
৫। আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের সামনের ও পেছনের অংশের ছবি তুলুন।
৬। প্রয়োজনীয় তথ্য চেক করে এগিয়ে যান।
৭। ফোনের ফ্রন্ট ক্যামেরা দিয়ে নিজের চেহারার ছবি তুলুন।
৮। এবার তথ্য সাবমিট করে এগিয়ে যান।
৯। রেজিস্ট্রেশন সফল হলে আপনার এস এম এস এ ৪ সংখ্যার একটি ওটিপি যাবে। এই ওটিপি দিয়ে লগ ইন করে একটি ৪ সংখ্যার পিন সেট করে নিবেন। (ওটিপি ও পিন কারও সাথে শেয়ার করবেন না)
১০। ভেরিফিকেশনের কনফার্মেশন এসএমএস-এর জন্য অপেক্ষা করুন। এই তথ্য যাচাই করতে সমাধান-এর ২-৩ কর্মদিবস সময় লাগতে পারে।
১১। এবার সমাধান অ্যাপে লগইন করুন।
* আপনার পিন নাম্বারটি সবসময় গোপন রাখুন
এজেন্ট পয়েন্টে ই-কেওয়াইসির মাধ্যমে একাউন্ট খুলুন:
নিকটবর্তী ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন পয়েন্টে সমাধান একাউন্ট খুলতে নিয়ে আসুন-
১। মোবাইল ফোন
২। জাতীয় পরিচয়পত্রের মূল কপি
পদ্ধতি:
১। এজেন্ট আপনার মোবাইল নাম্বার ও অপারেটর নিশ্চিত করে একাউন্ট খোলার জন্য অনুমতি নেবেন।
২। আপনার নাম্বারে পাঠানো রেফারেন্স নাম্বারটি নেবেন।
৩। আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের সামনের ও পেছনের অংশের ছবি তুলবেন।
৪। এজেন্ট ই-কেওয়াইসি এন্ট্রির জন্য আপনার একটি ছবি তুলবেন ও যাবতীয় তথ্য দিবেন।
৫। রেজিস্ট্রেশন সফল হলে আপনার এস এম এস এ ৪ সংখ্যার একটি ওটিপি যাবে। এই ওটিপি দিয়ে লগ ইন করে একটি ৪ সংখ্যার পিন সেট করে নিবেন। (ওটিপি ও পিন কারও সাথে শেয়ার করবেন না)
৬। ভেরিফিকেশনের কনফার্মেশন এসএমএস-এর জন্য অপেক্ষা করুন। এই তথ্য যাচাই করতে সমাধান-এর ২-৩ কর্মদিবস সময় লাগতে পারে।
৭। এবার সমাধান অ্যাপে লগইন করুন।
২। সমাধান হিসাব এর ধরণ কি কি?
উত্তরঃ
৩। সমাধান একাওন্ট এ লেনদেনের সীমা কেমন (দৈনিক/ মাসিক)?
উত্তরঃ
| Transaction Limits | ||||||
| ট্রান্সাকশনের ধরণ | সর্বোচ্চ ট্রান্সাকশনের পরিমাণ | ট্রান্সাকশন প্রতি টাকার সীমা | সর্বোচ্চ টাকার সীমা | |||
| দৈনিক | মাসিক | সর্বনিম্ন (BDT) | সর্বোচ্চ (BDT) | দৈনিক (BDT) | মাসিক (BDT) | |
| এজেন্ট পয়েন্ট থেকে ক্যাশ- ইন | 5 | 25 | 50 | 30,000 | 30,000 | 2,00,000 |
| ব্যাংক একাউন্ট, কার্ড থেকে এ্যাড মানি | 5 | 25 | 50 | 50,000 | 50,000 | 3,00,000 |
| সেন্ড মানি (P2P) | 50 | 100 | 10 | 25,000 | 25,000 | 2,00,000 |
| মোবাইল রিচার্জ | 50 | 1,500 | 10 | Prepaid: 1,000
Postpaid: 5,000 |
10,000 | 1,00,000 |
| পেমেন্ট | No Limit | No Limit | 0.10 | No Limit | No Limit | No Limit |
| এজেন্ট পয়েন্ট থেকে ক্যাশ- আউট | 5 | 20 | 50 | 25,000 | 25,000 | 1,50,000 |
| ব্যাংক একাউন্ট ট্রান্সফার | 5 | 20 | 50 | 50,000 | 50,000 | 3,00,000 |
* একজন গ্রাহক যে কোনো সময়ে তার সমাধান একাউন্টে সর্বাধিক 300,000 টাকা রাখতে পারেন* বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশিকা অনুযায়ী লেনদেনের সীমা পরিবর্তনশীল।
৪। এমএফএস হিসাব এর সেবাসমূহ কি কি?
উত্তরঃ সমাধান এর সেবাসমূহ
ক্যাশ- আউট
৫। সমাধান হিসাব এর সাথে সম্পৃক্ত ঝুঁকিসমূহ কি কি?
উত্তরঃ সচেতনতাই প্রতারণা প্রতিরোধের সর্বপ্রথম ও সর্বোত্তম হাতিয়ার। তাই কিছু কথা সবসময় মনে রাখবেন, তাহলেই আপনার টাকা নিরাপদ থাকবে:
ব্যাংক এবং সমাধান কর্তৃপক্ষ কখনই আপনার পিন বা ওটিপি জানতে চাবেনা।
গ্রাহকদের প্রতারণা ও ঝুঁকিমুক্ত ডিজিটাল আর্থিক সেবা প্রদানে সমাধান সর্বদা সচেষ্ট ও বদ্ধপরিকর। আপনাদের অর্থ ও ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষা এবং প্রতারণা এড়ানোর জন্য সতর্ক থাকা এবং সচেতনতা সৃষ্টি করা আমাদের লক্ষ্য। কোন কোন উপায়ে প্রতারক আপনাকে প্রতারণার ফাঁদে ফেলতে পারে তা নিচের প্রতারণার ধরণসমূহ থেকে বিস্তারিত জেনে নিতে পারেন এবং প্রতারণা এড়িয়ে চলতে করণীয় থেকে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করতে পারেন।
প্রতারণার ধরণসমূহ
প্রতারক আপনাকে নকল সমাধান এজেন্ট বা গ্রাহক সেজে ফোন করে এবং সমাধান-এ অভিযোগ করে অন্য সমাধান একাউন্টের পরিবর্তে ভুলবশত আপনার একাউন্ট ব্লক করে দিয়েছে বলে দাবি করে। প্রতারক আরো জানায় যে, ইতোমধ্যে সে সমাধান কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করেছে এবং সমাধান-এর একজন অফিসার একাউন্টটি আনব্লক করে দেয়ার জন্য আপনার সাথে যোগাযোগ করবে। তারপর ভুয়া সমাধান প্রতিনিধি সেজে কেউ একাউন্ট আনব্লক করার অজুহাতে আপনাকে ফোন দিয়ে আপনার মেসেজে আসা ভেরিফিকেশন কোড (OTP) ও পিন (PIN) হাতিয়ে নিতে পারে এবং আপনার আর্থিক ক্ষতি করতে পারে।
প্রতারক আপনাকে ভুয়া তথ্য যেমন: উপবৃত্তি, বয়স্ক ভাতা, সরকারি অনুদান, পল্লী বিদ্যুৎ সুবিধা পাবেন বলে মেসেজ দিয়ে কিছু নির্দিষ্ট নাম্বারে ফোন করে যোগাযোগ করতে বলে অথবা সরাসরি কল করে। পরবর্তীতে আপনার একাউন্ট যাচাইয়ের জন্য মেসেজে আসা ভেরিফিকেশন কোড (OTP) ও আপনার সমাধান পিন (PIN) প্রদান/ডায়াল করতে বলে। সাথে আপনাকে কোনো এজেন্ট পয়েন্টে গিয়ে নিজ নাম্বারে কিছু ক্যাশ ইন করতে বলে। প্ররোচিত হয়ে তাদের কথামতো কাজ করলেই আপনি প্রতারণার শিকার হয়ে যেতে পারেন।
প্রতারক সমাধান প্রতিনিধি সেজে ফোন/মেসেজ দেয় এবং আপনাকে বিভিন্ন তথ্য দিয়ে প্ররোচিত করে (যেমন: নতুন সার্ভিস চালু করা, তথ্য হালনাগাদ) বা ভয় দেখিয়ে (যেমন: একাউন্ট তথ্য হালনাগাদ না করলে তা বন্ধ হয়ে যাবে) আপনার কাছ থেকে প্রয়োজনীয় গোপনীয় তথ্য সংগ্রহ করে। আপনি যদি প্ররোচনায় পরে ওটিপি (OTP) এবং পিন (PIN) শেয়ার করেন, তখন আপনার একাউন্ট প্রতারকদের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়।
প্রতারক আপনার পরিচিত কেউ সেজে ইমো/মেসেঞ্জার/হোয়াটসঅ্যাপ এ মেসেজ দিয়ে অথবা পরিচিত কারো ইমো (IMO)/মেসেঞ্জার (Messenger) একাউন্ট হ্যাক করে সেই একাউন্ট থেকে মেসেজ দিয়ে ভুয়া তথ্যের মাধ্যমে আপনাকে প্ররোচিত করে। তারপর আপনাকে তাদের দেয়া একটি সমাধান একাউন্ট নাম্বারে সেন্ড মানি/ক্যাশ ইন করার জন্য অনুরোধ করে। অনুরোধের ভিত্তিতে ঘটনার সত্যতা যাচাই না করেই টাকা ক্যাশ ইন বা সেন্ড মানি করলে, আপনি প্রতারণার শিকার হবেন।
প্রতারকরা নিজেকে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্য হিসেবে পরিচয় দিয়ে অথবা আত্মীয় বা পরিচিত ব্যক্তির কন্ঠ নকল করে আপনাকে ফোন দিতে পারে। তারপর তারা আপনার পরিচিত কারো দুর্ঘটনা/মৃত্যুর আকস্মিক কোনো খবর বা ভুয়া কোনো তথ্য দিয়ে আপনাকে মানসিকভাবে ব্ল্যাকমেইল করে তাৎক্ষণিক সহায়তা বা সাহায্যের জন্য টাকা সেন্ড মানি/ক্যাশ ইন করতে বলে। ঘটনার সত্যতা যাচাই না করেই টাকা পাঠালে, আপনি প্রতারণার শিকার হবেন।
প্রতারক এসএমএস/কল/ফেসবুক পোস্ট/ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ভুয়া চাকরি, সমাধান বা অন্যান্য সংস্থার সেবা বা পণ্যের অফার, ভুয়া বিজ্ঞাপন ইত্যাদি দ্বারা প্ররোচিত করে এবং তার জন্য ফর্ম ফিল আপ, রেজিস্ট্রেশন ফি বা ট্যাক্স/ভ্যাট ফি অথবা অগ্রিম বাবদ গ্রাহকদের নির্দিষ্ট সমাধান একাউন্টে অর্থ সেন্ড মানি/ক্যাশ আউট/পেমেন্ট করতে বলে। প্ররোচিত হয়ে আপনি তাদের ফাঁদে পা দিলে প্রতারিত হবেন।
প্রতারকরা সমাধান -এর ডিএসও/এসআর নাম্বার মাস্ক করে অথবা সমাধান এর হেড অফিস কর্মকর্তা সেজে সমাধান এজেন্টদের কল করে এবং তাদেরকে বিভিন্ন অফারের প্রলোভন দেখায়। যেমন: এজেন্ট অ্যাপ সক্রিয় করে দেয়া/সেভিংস একাউন্ট খোলা/কমিশন বাড়ানো/পার্সোনাল একাউন্ট লিংক করা/পার্সোনাল একাউন্টের ক্যাশ আউট চার্জ কম করা/এজেন্ট ব্যানার/পোস্টার বিতরণ করা ইত্যাদি। অফারগুলো সক্রিয় করার জন্য এজেন্টকে সমাধান ডায়াল অপশনে গিয়ে কিছু সংখ্যা ডায়াল করতে বলে অথবা ব্যক্তিগত নাম্বারে টাকা ক্যাশ ইন করতে বলে। ফলস্বরূপ, তারা প্রতারণার শিকার হয়।
প্রতারণা এড়িয়ে চলতে করণীয়
সমাধান একাউন্টের পিন (PIN) ও এসএমএস-এ আসা ভেরিফিকেশন কোড (OTP) আপনার একান্ত গোপন তথ্য। সমাধান কখনোই ১৬৭৮৯ বা অন্য কোন নাম্বার থেকে কল করে আপনার পিন (PIN) ও এসএমএস-এ আসা ভেরিফিকেশন কোড (OTP) জানতে চায় না। তাই এসব তথ্য কেউ চাইলেই বুঝবেন সে প্রতারক। কেউ কল করে এমন গোপন তথ্য চাইলেই কথা না বাড়িয়ে কলটি কেটে দিন।
এছাড়াও, প্রতারক ফোন করে সমাধান একাউন্টের ব্যালেন্স চেক করে দেখার জন্য বলতে পারে অথবা কলে থাকা অবস্থায় আপনার পিন (PIN), ম্যাসেজে আসা ভেরিফিকেশন কোড (OTP) ডায়াল করতে বলতে পারে। ফোনে থাকা অবস্থায় কখনোই আপনার পিন নাম্বার অথবা মেসেজে আসা ভেরিফিকেশন কোড ডায়াল করা যাবেনা। আবার, আপনার পিন সরাসরি জানতে না চেয়ে তা কোনো সংখ্যা দিয়ে যোগ/বিয়োগ, গুণ/ভাগ করে সেই সংখ্যাটি জানতে চাইতে পারে। এমন ঘটনার সম্মুখীন হলে কথা না বাড়িয়ে ফোনটি কেটে দিন এবং সাথে সাথে ১৬৭৮৯ নাম্বারে কল করে সমাধান কর্তৃপক্ষকে অবহিত করুন। এছাড়াও নিম্নলিখিত বিষয়গুলোর ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করতে পারলে আপনি কখনোই প্রতারণার শিকার হবেননা।
হুন্ডি প্রতিরোধের পাশাপাশি অনলাইনে বৈদেশিক মুদ্রার বেচাকেনা, অনলাইন জুয়া ও ক্রিপ্টোকারেন্সিতে লেনদেন রোধকল্পে সচেতন হোন। এক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রক সংস্থা কর্তৃক পাঠানো বার্তাসমূহ নিচে উল্লেখ করা হলো:
বার্তা- ১
হুন্ডি এক ধরনের মানিলন্ডারিং বা অর্থপাচার, যা রাষ্ট্রীয় আইনে দণ্ডনীয় অপরাধ। আপনাদের কষ্টার্জিত মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা হুন্ডি বা অন্যান্য অবৈধ উপায়ে না পাঠিয়ে, বৈধ/ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে দেশে পাঠান। রেমিটেন্স সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ায় অবদান রাখুন।
বার্তা- ২
অনলাইনে বৈদেশিক মুদ্রা বেচাকেনা, বিদেশি স্টক মার্কেটে বিনিয়োগ, অনলাইন জুয়া ও ক্রিপ্টোকারেন্সির লেনদেন দেশে প্রচলিত আইন মোতাবেক দণ্ডনীয় অপরাধ। এসব অপরাধ সংঘটন হতে নিজে বিরত থাকুন ও আপনার পরিজনকেও বিরত রাখুন।
প্রতারিত হয়ে গেলে করণীয়
আপনার যদি মনে হয় আপনি প্রতারণার শিকার হয়ে গেছেন, তাহলে নিম্নলিখিত পদক্ষেপ অনুসরণ করুন:
ব্যবসা ও অভিযোগ সংক্রান্ত যেকোনো প্রয়োজনে সমাধান একাউন্ট কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগের মাধ্যম